প্রচ্ছদ > খেলা > ক্রিকেট

হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর ম্যাচে বাংলাদেশের লক্ষ্য ২০০

article-img

ওয়ানডে ক্রিকেটে বাংলাদেশ দলের সম্প্রতিক পারফরম্যান্স বিবেচনায়- জিম্বাবুয়েকে বলে কয়ে হারানোর কথা! অথচ তুলনামূলক এই দুর্বল প্রতিপক্ষের বিপক্ষে নাকানি চুবানি খাচ্ছে মেহেদি হাসান মিরাজের নেতৃত্বাধীন দলটি।

জিম্বাবুয়ে চলতি সফরে একমাত্র টেস্টে চরম ব্যাটিং বিপর্যয়ের কারণে ইনিংস ও ৮৫ রানের ব্যবধানে হেরে যায় বাংলাদেশ।

এরপর শুরু হয় তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ। প্রথম ম্যাচে জিম্বাবুয়েকে ১৪১ রানে অলআউট করে দেয় বাংলাদেশ দল। ৩০০ বলে ১৪২ রানের মামুলি স্কোর তাড়া করতে নেমে ৩৩.১ ওভারে ১১৬ রানেই অলআউট হয় টাইগাররা।

এরপর সিরিজ বাঁচাতে নেমে দ্বিতীয় ওয়ানডেতে ২৪৮ রানের টার্গেট তাড়া করতে নেমে জয়ের দুয়ারে গিয়ে হোচট খায় বাংলাদেশ।

দ্বিতীয় ম্যাচে জয়ের জন্য শেষ ৩০ বলে বাংলাদেশের প্রয়োজন ছিল মাত্র ৩০ রান। হাতে ছিল ৪ উইকেট। ব্যাটিংয়ে থাকা অধিনায়ক মেহেদি হাসান মিরাজ; লেজের ব্যাটসম্যান রিশাদ হোসেন, তাসকিন আহমেদ ও শরীফুলকে নিয়ে দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছাতে ব্যর্থ হন। 

শেষ ১৬ রানে বাংলাদেশ ৪ উইকেট হারিয়ে ৪৮.১ ওভারে ২৩৪ রানে অলআউট হয়। ১৩ রানের জয়ে এক ম্যাচ হাতে রেখেই সিরিজ জয় নিশ্চিত করে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে।

আজ সিরিজের হোয়াইটওয়াশ এড়ানোর চ্যালেঞ্জ বাংলাদেশ দলের সামনে। শনিবার হারারে স্পোর্টস ক্লাব মাঠে টস জিতে জিম্বাবুয়েকে প্রথমে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়েছে বাংলাদেশ।

আগে ব্যাট করতে নেমে ২৭ রানে ৩ উইকেট হারিয়ে প্রাথমিক বিপর্যয়ে পড়ে যায় জিম্বাবুয়ে। এরপর ওয়েসলি মাধেভেরের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে খেলায় ফেরে জিম্বাবুয়ে। শেষ দিকে দলের হার ধরেন ব্রাড ইভান্স। এই দুই তারকার দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ে ৪৮.১ ওভারে ১৯৯ রানের চ্যালেঞ্জিং স্কোর গড়েছে জিম্বাবুয়ে। 

দলের হয়ে ৭৪ বলে ৫টি চার আর এক ছক্কায় সর্বোচ্চ ৭৫ রান করেন ওয়েসলি মাধেভেরে। ৪৩ বলে ৫টি চার আর দুটি ছক্কার সাহায্যে ৫০ রান করেন ব্রাড ইভান্স।

বাংলাদেশ দলের হয়ে ৪ উইকেট নেন শরীফুল ইসলাম। ২টি করে উইকেট নেন তাসকিন আহমেদ ও তানভির ইসলাম। এক উইকেট নেন মোহাম্মদ সাইফুদ্দিন।